• shohag.chakrabarty@gmail.com
  • 01601-430568
News Photo

ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ করুন

কেন এসব খাবার এড়াবেন?

  • অতিরিক্ত পিউরিন শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায়।
  • কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
  • গেঁটে বাতের ব্যথা ও প্রদাহ বেড়ে যেতে পারে।
  • দীর্ঘমেয়াদে জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

🚫 যেসব খাবার এড়িয়ে চলুন

১. লাল মাংস ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ

গরুর মাংস, খাসির মাংস, মুরগির মাংস, কলিজা, কিডনি, মগজ ইত্যাদি।

২. সামুদ্রিক খাবার

চিংড়ি, কাঁকড়া, লবস্টার, মাছ, ঝিনুক, অক্টোপাস, ক্যালামারি ইত্যাদি।

৩. প্রক্রিয়াজাত মাংস

সসেজ, বেকন, হ্যাম, ডেলি মিট, প্রিজার্ভড মাংস এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাবার।

৪. মদ্যপান

বিয়ার, ওয়াইন, হুইস্কি, রাম, দেশি-বিদেশি সব ধরনের মদ।

৫. মিষ্টি ও চিনিযুক্ত খাবার

মিষ্টি, চিনি, মিষ্টিজাতীয় খাবার, কেক, পেস্ট্রি, আইসক্রিম ইত্যাদি।

৬. উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার

ভাজাপোড়া, ফাস্টফুড, তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, রেড মিট, বাটার, ঘি ইত্যাদি।

৭. ডাল ও কিছু শস্য

কিছু ডাল, যেমন মসুর, ছোলা ও মুগ ডাল অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া এড়িয়ে চলুন। সয়া ও অতিরিক্ত প্রোটিনযুক্ত খাবারও সীমিত রাখুন।

৮. কিছু সবজি ও ফল

পালং শাক, মাশরুম, ফুলকপি, বরবটি, অ্যাসপারাগাস, কলা, অ্যাভোকাডো ইত্যাদি অতিরিক্ত পরিমাণে না খাওয়াই ভালো।

৯. মিষ্টি পানীয় ও কোমল পানীয়

সোডা, কোলা, প্যাকেটজাত জুস, এনার্জি ড্রিংক ইত্যাদি।

১০. অ্যাডেড-সুগারযুক্ত খাবার ও কিছু সস

মেয়োনিজ, চিলি সস, টমেটো সসসহ অতিরিক্ত লবণ বা চিনি-যুক্ত সস সীমিত করুন।

১১. কিছু সামুদ্রিক/প্রক্রিয়াজাত খাবার

ক্যানজাত মাছ, প্রক্রিয়াজাত মাংস, চিপস, লবণযুক্ত খাবার ইত্যাদি সীমিত করুন।

১২. অতিরিক্ত লবণ

আচার, পাপড়, চিপস, ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবারে অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলুন।

Share This News

Comment

Do you want to get our quality consultation for your health?